খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

পাথরঘাটায় জমি বুঝিয়ে দিতে উচ্ছেদ অভিযানে বাঁধার অভিযোগ

বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আদালতের রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে জমির দখল বুঝিয়ে দিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় বাধা, মারধর ও মালামাল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন জমির দাবিদার ওয়ারিশরা। তাঁদের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে অভিযান পরিচালনার সময় অবৈধ দখলদার ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বাধা সৃষ্টি করেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মামলার বাদীপক্ষের ওয়ারিশেরা। সংবাদ সম্মেলনে প্রায় ২৫ জন ওয়ারিশ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের পক্ষে বক্তব্য দেন জগদীশ চন্দ্র শীলের ছেলে নেপাল চন্দ্র শীল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ১২ নম্বর ঘুটাবাছা মৌজার আরএস ও এসএ রেকর্ডভুক্ত ২৮০৯, ২৮৭৬ ও ২৮৮৭ নম্বর দাগের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এসব জমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন হরেন্দ্র কুমার, হরিমোহন, কার্তিক, গণেশ ও সীতানাথ। পরবর্তী সময়ে সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে ওয়ারিশ কমলা রানী বাদী হয়ে ২০০৯ সালে পাথরঘাটা সিভিল জজ আদালতে মামলা করেন।

বাদীপক্ষের দাবি, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত ২০১১ সালের ২৮ ডিসেম্বর জমির মালিকানা বিষয়ে রায় দেন এবং ২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল চূড়ান্ত ডিক্রি জারি করেন। ডিক্রিতে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জমি বণ্টন করা হয়। পাশাপাশি কলমি নকশার মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

ওয়ারিশদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালতের ওই রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে চলতি বছরের ১০ অক্টোবর জমির দখল বুঝিয়ে দিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন বাঁধা সৃষ্টি করেন, তাঁদের মারধর করেন এবং ঢেউটিন, কাঠ, বাঁশ, সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি করেন। এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।

তাঁরা আরও জানান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুরোধে উচ্ছেদ অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট দল বরগুনায় ফিরে যায়। এ সময় দখলে থাকা ব্যক্তিদের নিজ নিজ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে নেপাল চন্দ্র শীল বলেন, আদালত অভিযান পরিচালনার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একাধিকবার সরাসরি এবং চিঠির মাধ্যমে জমি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা তা আমলে নেননি। দ্রুত জমি খালি করে তাঁদের বৈধ দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নেপাল আরও বলেন, “আদালতের নির্দেশ অমান্যকারী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তাঁকে আইনের আওতায় আসতে হবে। আমরা চাই, আদালতের রায় ও ডিক্রি অনুযায়ী আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া হখ।”

বাদীপক্ষের দাবি, বর্তমানে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি ওই জমির বিভিন্ন অংশ দখল করে রেখেছেন।

এ বিষয়ে জমির একটি অংশের দখলে থাকা মো. সেন্টু মিয়া বলেন, “অনেক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে আমরা এ জমির পজিশন নিয়েছি। বর্তমানে জানতে পেরেছি, জমিটির মালিক অন্য কেউ। আদালতের রায় অনুযায়ী জমির প্রকৃত মালিক যদি তাঁরাই হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁদের সঙ্গে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।”

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT